
হাতিয়ায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স উদ্ধোধন করেন,মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক।
মোঃএনায়েত হোসেন
নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৩১ মার্চ) সকালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ হাতিয়া উপজেলা শাখার আয়োজনে,সাবেক সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ আলীর সভাপতিত্বে,বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন,মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আ.ক.ম মোজাম্মেল হক,নোয়াখালী -৬ সংসদ সদস্য আয়েশা ফেরদাউস,বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও প্রাক্তন এম.পি অধ্যাপক মোঃ ওয়ালী উল্যাহ, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহবুব মোর্শেদ লিটন,উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ কায়সার খসরু,পৌরমেয়র কেএম ওবায়েদ উল্যাহ বিপ্লব, মুক্তিযোদ্ধা,সাংবাদিকসহ আওয়ামীলীগের সকল অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীগণ।
হাতিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স উদ্ধোধন করার পর উপজেলা পরিষদ সত্বরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সুধী সমাবেশে অংশ গ্রহণ করেন বীর মুক্তিযুদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক।পরে সমাবেশে এসে তিনি দীর্ঘ ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং যুদ্ধকালীন জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর অবদান গুলো তুলে ধরেন।তিনি আরও বলেন,বঙ্গবন্ধু না হলে আজ আমারা একটি স্বাধীন বাংলাদেশ পেতাম না।তাই বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান।জিয়া রহমান নই।এছাড়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আরও এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। পরে তিনি জনগণের নিকট আবারও আওয়ামীলীগের নৌকা মার্কার ভোট চান।
এদিকে হাতিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আলী এবং আয়েশা ফেরদাউস এম.পি হাতিয়ার প্রধান সমস্যা নদী ভাঙা রোধ বিষয়ে প্রস্তাব করিলে, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলে বাজেট ব্যবস্থা করবেন বলে জানান।
পরে মন্ত্রী হাতিয়ার নলচিরা ঘাটে গিয়ে নদী ভাঙ্গা পরিদর্শন করে বলেন,হাতিয়া দ্বীপ এত সুন্দর একটা জায়গা এ দ্বীপে পর্যটন হওয়ায় আরও উন্নয়ন হয়েছে। ভবিষ্যৎতে এই দ্বীপে আরও উন্নয়ন মূলক কাজ হবে বলে আমার বিশ্বাস। আমি ঢাকা গিয়ে হাতিয়ার মানুষের প্রধান সমস্যা নদী ভাঙ্গা এই বিষয়টা প্রধানমন্ত্রীর নিকট তুলে ধরবো।
বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধিনে ৪৭০ টি উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ প্রকল্পটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত হয়েছে। এই ভবনের ৩,০২,৪৯,৩৩৬.০০ টাকা প্রাক্কালিত ব্যয় অনুমোদন হয় ২৩/০২/২০১৫ সালে ও চুক্তি মূল্য ৩,৪৭,৭৭,৮৬৪.২৭৫ টাকায় ভবনের কাজ শুরু হয় ২০/০৯/২০১৫ সালে আর কাজটি সমাপ্তি হয় ২৮/০২/২০১৭ সালে।