
সিদ্দিক বাজারের সেইদিনটি
—————-তাসনোভা তুশিন
হটাৎ পুরান ঢাকায় , এক বিকট শব্দ ,
১ কিলো প্রকান্ড ঝাকুনিতে স্তব্ধ ।
বিধ্বস্ত দুটি ভবন ,
ভাঙা ইট – পাথরের ধুলটে জর্জরিত পবন ।
মুহূর্তেই কোলাহলপূর্ণ সিদ্দিক বাজারের হরেকে ,
নিহত আর আতহের রক্ত মাখা
সড়কে ।
মা – বাবা পরিজনের নাম কূজনে দিগ্বিদিক উজাড় ,
বিস্ফোরিত প্রস্তরে সয়লাব সিদ্দিক বাজার ।
৭ মার্চ , ইবাদত বন্দেগীর যামিনী শবেবরাত ,
নিজেরাই নিজেদের কুল তালাশে কুপোকাত ,
পাপ স্খলনে রোজায় রত মা ,
মায়ের ইফতারি নিয়ে সুমন আর এলো না ।
বাত্যাহাতে আটকে ৬ সদস্যের একমাত্র খোরপেশের পা ,
বুকের ধন না ফেরায় পাগল হয়ে বিলাপ করছে তার মা ,
মেডিকেলের দ্বারে দ্বারে লাশ হাঁতড়ে বেড়াচ্ছে বাবা ।
মেলেনি নিখোঁজ ম্যানেজার স্বপনের লাশ ,
গত হওয়া স্বর্গমুখ দেখতে পরিবারের হাশ – ফাঁস ।
তবুও মেলেনি লাশ ,
রোদনে ভারী চারিপাশ ,
স্বামী মহিউদ্দিনের মৃত্যুর খবরে ,
দাঁতে – দাঁত লেগে অচেতন স্ত্রী পরে ,
এ যেন ,
কলিযুগে এসে আবার সকলে দেখলাম ,
মধ্যযুগের লক্ষীন্দরকে হারিয়ে বেহুলার পরিনাম ।