0 657

ভূমি দস্যুদের ক্যাডার বাহিনীর হাতে মার খেয়ে হসপিটালে ভর্তি – কামারপুকুর ইউনিয়নের চৌকিদার।
মাসুদুর রহমান
সৈয়দপুর – নীলফামারীঃ
নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের একজন চৌকিদার মার খেয়ে থানায় অভিযোগ দেওয়ার তিন দিন হলেও মামলা রুজু করতে নানা রকম অজুহাত।
সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের মধ্যে কোটি টাকার খাস জমি এক প্রভাবশালী ভূমি দস্যু দখল করে নিয়েছেন। এ নিয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে ভূমি দস্যুর বাহিনীর হাতে আক্রমনের শিকার হয়ে মার খেয়েছেন ইউপি সচিব ও চৌকিদার। সূত্র জানায়, এ উপজেলার উক্ত ইউনিয়নে বিশাল সিন্ডিকেট চক্র তৈরি হয়েছে যাদের মূল কাজ হচ্ছে সরকারি খাস জমি দখল বিক্রি বাণিজ্য এবং এই চক্রের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে কামারপুকুর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা।
গত ২৮শে মে কামার পুকুর ইউনিয়নের কয়েক কোটি টাকা মূল্যের এক একর ৩১ শতক খাস জমি বেদখল হচ্ছে এমন তথ্য পেয়ে কামারপুকুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন সরকারের নির্দেশে ইউপি সচিব মোঃ মোকছেদ ইসলাম ও চৌকিদার আব্দুল জলিল ঘটনাস্থলে গেলে ভূমি দস্যুর সাঙ্গপাঙ্গ তথা ক্যাডার বাহিনীরা বেপরোয়া হয়ে উল্লেখিত ইউনিয়ন সচিব ও চৌকিদারকে বেদম মারপিট করেন।
এ বিষয় নিয়ে উক্ত এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এ দিকে আক্রমণের শিকার দুই ব্যক্তির মধ্যে চৌকিদার আব্দুল জলিল সৈয়দপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন আসামীরা হলেন ১) মোঃ বাদশা মিয়া, পিতা মৃত আবুল হোসেন, সাং- ১নং ঘুমটি চাউল মার্কেট সংলগ্ন, থানা সৈয়দপুর, জেলা নীলফামারী।, ২) মোঃ গোলাম রব্বানী, কোল্ড স্টোর ম্যানাজার ৩) মোঃ শহিদুল ইসলাম, কোল্ড স্টোর ফরম্যান, ৪) মোঃ মাহাবুব রহমান, পিতা মোঃ আছকার আলী, সাং- আইসঢাল খিয়ারপাড়া, ৫) মোঃ মোস্তাকিম, পিতা আবু নাশের বসুনিয়া, সাং- সৈয়দপুর বসুনিয়াপাড়া, ৬) মোঃ আব্দুর রহিম, পিতা অজ্ঞাত, কোল্ড স্টোর কিপার, ৭) মোঃ খবির চৌধুরী, পিতা অজ্ঞাত, প্রধান স্টোর কিপার, ৮) মোঃ মুরাদ হোসেন, পিতা অজ্ঞাত, কোল্ড স্টোর কর্মচারী। অপর দিকে খাস জমি দখলদার মোঃ বাদশা মিয়া সৈয়দপুরের প্রভাবশালী ব্যবসায়ী হওয়ায় বিষয়টি রহস্যজনকভাবে ধামাচাপা দেওয়ার প্রক্রিয়ায় একটি বিশেষ মহল সুবিধা নিয়ে কলকাঠি চালাচ্ছেন।
এ বিষয় নিয়ে সৈয়দপুর থানার ওসির সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন এখন পর্যন্ত মামলা হয়নি। তদন্ত সাপেক্ষে মামলা করা হবে। তবে ভূমি দস্যুরা প্রভাবশালী হওয়ায় বিভিন্নভাবে তদবির চালাচ্ছেন যাতে মামলা থানায় করতে না পারে।