
ফুল ও ফলে নতুন যৌবনে সাদুল্লাপুর ড্রাগন বাগান।
শামীম আহম্মেদ জয়
মতলব উওর(চাঁদপুর):
চাঁদপুর জেলার, মতলব উত্তর উপজেলার। সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের সাদুল্লাপুর সুফি দরবার, সংলগ্নে ১২ একর জমির উপর। ২০১৯ সালে, আলহাজ্ব এবিএম নাছির উদ্দিন সরকার, গড়ে তুলেন ড্রাগন ফলের চাষ।সরেজমিন গেলে দুচোখ যেখানে যায়, সেখানেই দেখা মিলে, ফুলে ফুলে সৌন্দর্যময় ড্রাগন গাছের ফুল ও ফল।
এই ড্রাগন ফলের বাগানের, সুপারভিশন দ্বায়িত্বে থাকা, এ এম মোস্তাফিজুর রহমান, গত ৫.৬.২০২৩ তারিখ। ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষিপুর, চট্রগ্রাম, চাদপুর জেলার। কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায়, সর্ব শ্রেষ্ঠ কৃষক, হিসেবে প্রথম স্থান অধিকার করেন।এ এম মোস্তাফিজুর বলেন, আমাদের গ্রাম অঞ্চলে অনেক শিক্ষিত বেকার যুবক রয়েছেন। তারা যদি বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন চাষ করে, তাহলে সফল হওয়া সম্ভব। আমাদের এ বছরে বাগান থেকে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধারণা করা হচ্ছে, ১০ লক্ষ টাকার অধিক।
তিনি বলেন আমাদের এখানে, হলুদ, লালও সাদা ড্রাগন ফলের চাষ করা হয়। ড্রাগন বাগানের উদ্যক্তা, এবি এম নাছির উদ্দিন বলেন, আমার এই ড্রাগন বাগান চাষের মূলত কারন হলো। এই ফলে প্রচুর পরিমান, এ,সি বি,বি ১, বি ৩, ক্যালিসিয়াম, আয়রন, শর্করা, ফাইবার (আশ), ক্যালরি, রয়েছে। আমাদের গ্রাম অঞ্চলের, প্রত্যেকটি গরীব মানুষ, যাতে এই ফলের পুষ্টিগুণ পেতে পারেন। এই বাগানে কর্মরত আরেকজন কৃষক আবুল কাশেম বলেন। কেউ যদি এই ড্রাগন ফলের চাষ করতে চান, আমাদের এখান থেকে চারা, ও প্রয়োজনীয় সকল পরামর্শ আমারা দিয়ে দিব। এ এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমরা এখানে, ভিয়েতনামী নারকেল, ও ত্বিন ফলের চাষ করে থাকি। পবিএ কোরআন শরীফে ত্বিন ফলের উপকারীতা এসেছে। ত্বিন ফলের উপকারীতা হলো। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, হজম ক্ষমতা সাহায্য করে, রক্তশূন্যতা দূর করে ও ইত্যাদি উপকার হয়। এ এম মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমাদের এখানে প্রাকৃতিকভাবে চাষ করা ত্বিন ফল পাওয়া যায়।