সবার কথা বলে

মামলার পর রায় পেয়েও – হয়রানীর স্বিকার বাবুল ফকিরের পরিবার

0 504
১৯ বছর মামলার পর রায় পেয়েও – হয়রানীর স্বিকার  বাবুল ফকিরের পরিবার।
শামীম আহম্মেদ জয় – (চাঁদপুর):
মতলব উত্তর উপজেলার বাগান বাড়ী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের রায়ের কান্দী গ্রামের শহিদ ফকিরের চাচা মৃত আলী আরশাদ ফকির। একই গ্রামের ফতেহ আলী খলিফার কাছ থেকে ১০.৫ শতাংশ জায়গা ক্রয় করেন।
উক্ত ক্রয় কৃত জমি মৃত আলী আরশাদ ফকির স্থানিয় মাদ্রাসার সেক্রেটারি বরাবর ওয়াকফ্ করে দিয়ে যান।  অতপর সেই ওয়াকফ্ কৃত জমির বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা  করেন প্রতিবেশি রমিজ বাদ্যকর, সেরাজুল বাদ্যকর, খোকন বাদ্যকর গংরা।
১৯ বছর মামলা পরিচালনার পরে আদালত আলী আরশাদের পরিবারের পক্ষে রায় দেন, এবং আদালত উল্লেখ্য করেন, বাদী পক্ষ কোন প্রকার প্রমান দেখাতে ব্যর্থ হন এবং আদালত আদেশ করেন, যে মোকাদ্দমাটি বিবাদীর বিরুদ্ধে দোতরফা সূএে বিনাখরচায় ডিসমিস করা হইল।
আদালতের এই রায়ের পরেও বিবাদী পক্ষ একের পর এক মিথ্যে মামলা করে হয়রানি করে যাচ্ছেন, বাবুল ফকির,(৩০) শহিদ ফকির (৫০) ফতেহ আলী (৬০) সহ রেহেনা বেগম এর নামে এবং বাদী সেরাজুল বাদ্যকর অভিযোগ করেন, বাবুল ফকির উক্ত জায়গা থেকে ৩ লক্ষ টাকার গাছ বিক্রি করেন।
কিন্তুু সরজমিনে দেখা যায়, উক্ত জমিতে গাছ কাটার কোনো প্রকার চিহ্ন নেই। ভুক্ত ভোগী বাবুল ফকির, ফতেহ খলিফা ও রেহেনা বেগম জানান, আদালতে ১৯ বছর মামলার পরে আদালত আমাদের পক্ষে রায় দেন। রায়ের পরে আমরা উক্ত জায়গায় গেলে বাদী পক্ষ দলগত ভাবে আমদের উপড় আক্রমণ করে, আমরা এই দুষ্ট প্রকৃতির লোকদের ভয়ে মানবেতর জিবন যাপন করছি এবং প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.