0 383

সৈয়দপুরে জমি জোর পূর্বক জবরদখল ও মারধরসহ বসতবাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ।
মোঃ মাসুদুর রহমান – (নীলফামারী):
নীলফামারী সৈয়দপুরে জমি জোর পূর্বক জবরদখল ও বসতবাড়ি ভাংচুরের অভিযোগে সৈয়দপুর থানায় একটি অভিযোগ করা হয়েছে উক্ত অভিযোগ সূত্রে জানা যায় সৈয়দপুর উপজেলার পশ্চিম বেলপুকুর কুঠিপাড়ার মোঃ জাবেদ হোসেন (৪১) পিতাঃ মোঃ আব্দুস সামাদ ক্রয়কৃত বাস্তভিটার ২০ শতক জমি মোঃ হামিদুল ইসলাম (৪৫) মোঃ জাহাঙ্গীর (৫০) মোঃ সেকেন্দার (৫৭) সকলের পিতা মৃত বেলাল হোসেন এর নামে ভুলবশত রেকর্ড ভুক্ত হয়।
উক্ত বিষয়ে মোঃ জাবেদ পিতা মোঃ আব্দুল সামাদ বিজ্ঞ আদালতে রেকর্ড সংশোধনের মামলা নং- ২০৪/২২ দায়ের করে মামলা বিচারাধীন রয়েছে কিন্তু তারপরেও তারা জমি দখলের চেষ্টা করছে।
উক্ত অভিযোগ সূত্রে আরও জানা যায়, তারা জমি দখলের পাঁয়তারা করায় উক্ত বিষয়ে ১৬/০৯/২০২৩ ইং তারিখে বেলা ১১ টায় স্থানীয় ৮ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ নূরনবী সরকার ও ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মফিজুল হক চৌধুরী এবং স্থানীয় আবু হান্নান চৌধুরীর সভাপতির স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতে সালিশ বৈঠকে বসে ।
সালিশ বৈঠকের সিদ্ধান্ত উপনিত হয় যে, বিজ্ঞ আদালতে চলমান মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষ স্ব – স্ব অবস্থানে অবস্থান করিবে এবং যার পক্ষে রায় হইবে সে জমি ভোগ দখল করবে। উক্ত সিদ্ধান্ত মোঃ জাবেদ আলী ও তার পরিবার মেনে নেয় অতঃপর সালিশ বৈঠক শেষ করে গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গগন যার যার বাড়িতে চলে যায় কিন্তু তারা ওই সিদ্ধান্ত না মেনে একই তারিখে আনুমানিক দুপুর ৩ ঘটিকায় মোঃ সিরাজুল ইসলাম (৩২), মোঃ গাজী (৩৮) উভয়ের পিতা মোঃ সেকেন্দার আলী, মোঃ মমিনুল ইসলাম ( ১৯) , পিতা মোঃ গাজী, মোঃ হামিদুল ইসলাম (৪৫), মোঃ জাহাঙ্গীর (৫০) , মোঃ সেকেন্দার (৫৭) সকলের পিতা মোঃ বেলাল হোসেন , মোছাঃ শাহনাজ (২৭) স্বামী মোঃ সিরাজুল ইসলাম, মোঃ মনোয়ারা বেগম স্বামী মোঃ গাজী, মোছাঃ বেলী (৪৫) স্বামী সেকেন্দার, মোছাঃ হামিদা ( ৩৮) স্বামী মোঃ হামিদুল ইসলাম পূর্ব পরিকল্পিতভাবে শালাপরামর্শ পূর্বক হাতে বাঁশের লাঠি, ধারালো দা, লোহার রড, প্রগতি দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র সজ্জিত হইয়া বেয়াই জনতায় ভাবে সৈয়দপুর থানাধীন বেলপুকুর কুটিপাড়া আমার বসতবাড়ি ভিতর অনাদিকারে প্রবেশ করে হুমকি সহ আমার বসতবাড়ির বেড়াচাটি ভাঙচুর করে পুকুরের পাড়ের মাটি খরণ করিয়া আনুমানিক ২০ হাজার টাকা ক্ষতি সাধন করে।
অতঃপর সকলে আমার বস্তুভিটা ও কুকুরের জায়গা দখলের নিমিত্তে জোরপূর্বক বেড়াচাটি দ্বারা গিরিতে থাকে এবং ওই সময় আমি বাধা নিষেধ করায় মোঃ সিরাজুল ইসলাম এর হুকুমে মোঃ মমিনুল ইসলাম (১৯) মোঃ হামিদুল ইসলাম (৪৫) আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে বাঁশের লাঠি দ্বারা করে ছেলা ও ফুলা জখম করে আমাকে রক্ষার্থে আমার স্ত্রী মোছাঃ খালেদা বেগম (৩২) আসলে মোঃ গাজী ( ৩৮) ও মমিনুল ইসলাম (১৯) আমার স্ত্রীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে বাসে লাঠি ও লোহার রড দ্বারা উপযপুরি শক্ত মার ডাং করে কালশিরা রক্ত জমাট গুরুতর জখম করে এবং মোঃ গাজী( ৩৮) আমার স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলা চিপে ধরিয়া শ্বাসরোধ করলে আমার বোন মোছাঃ সামিনা আক্তার (৩৫) এসে হত সরিয়ে আমার স্ত্রীকে রক্ষা করে।
ঐ সময়ে মোঃ সিরাজুল ইসলাম এর হাতে থাকার ধারালো দা দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার স্ত্রী মোছাঃ খালেদা এর মাথার মাঝে বরাবর কোপ মারে গুরুতর যখম করে। মোঃ গাজী ও মোঃ জাহাঙ্গীর আমার বোনের চুলের মুঠি ধরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে মার ডাং করে এবং কাপড় টানা হেচড়া করে শ্লীতাহানী ঘটায় আমার মাকে রক্ষার্থে আমার ছেলে খাদেমুল ইসলাম আগাইয়া গেলে মোঃ মমিনুল, মোছাঃ বেলী, মোছাঃ হামিদা আমার ছেলেকে মার ডাং করে ছেলা ও ফুলা জখম করে আমাদের ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকসহ সাক্ষী আল মামুন ইসলাম পিতা মোঃ সেকেন্দার আলী, মোঃ ছোট বাবু (২৭) পিতা মৃত শহিদুল ইসলাম, মোঃ শহিদুল ইসলাম (৩৮) পিতা মৃত রমজান আলী তারা এসে আমাদেরকে রক্ষা করে।
আমাদের অবস্থা বেগতিক হাওয়ায় অপরিচিত চার্জার ভ্যানযোগে আমি আমার বোনও আমার ছেলে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করি এবং আমার স্ত্রী মোছাঃ খালেদা ও আমার মা ও বোন এর অবস্থা বেগতিক হওয়ায় হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার তাদেরকে ভর্তি করিয়া নেন।