
“কদমতলী থানাধীন,শ্যামপুর এলাকায় জরিনার, রমরমা মাদক ব্যবসা,পুলিশ নিরব”
বিশেষ সংবাদদাতা – মোঃ মনির হোসেন:
মাদক,কিশোরগাং আগ্রাসনসহ নানা অপরাধের জন্য এরই মধ্যে এলাকাটি ‘ক্রাইম জোন’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫৮ নম্বর ওয়ার্ডটি কদমতলী থানার অন্তর্গত। আর শ্যামপুর রেল লাইনে পাসে বস্তি এলাকায় প্রকাশ্যে চলছে মাদকের জমজমাট ব্যবসা। হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে ইয়াবা, হেরোইন, গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য। স্থানীয় শ্যামপুর বরইতলার বাসিন্দা আবু বকর আক্ষেপ করে জানান,প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যার ওয়ার্ডের বিভিন্ন অলিগলিতে চলে মাদক বিক্রি ও সেবন।
দিনেও বেশ কয়েকটি চক্র মাদক বিক্রি করে। প্রশাসন দেখেও যেন দেখে না। আমাদের যুবসমাজ রসাতলে গেলে কার কী আসে-যায়।’ অনুসন্ধানে ও শ্যামপুর স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এসব মাদক ব্যবসার নেপথ্যে রয়েছে ক্ষমতাসীন একাধিক প্রভাবশালী নেতা ও শীর্ষ সন্ত্রাসী।
এ ছাড়া পুলিশের গা-ছাড়া ভাব ও মাদক ব্যবসা নিয়ে কঠোর অবস্থান গ্রহণ না করায় এই মাদক ব্যবসা প্রসারের অন্যতম প্রধান কারণ। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কদমতলী থানার,শ্যামপুর ওয়াসা রাস্তার রেল লাইনের পাশের বস্তিতে, জরিনা মাদক স্পটে প্রকাশ্যেই মাদক বিক্রি হচ্ছে। এ জন্য সেখানে অধিকাংশ সময় মোটরসাইকেলে কিশোর ও যুবকদের আনাগোনা চলে। এলাকার কয়েকজন প্রবীণ ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা যায় (মাদক বিক্রির জেরে) এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্কে ভুগছে।
পুলিশ মাঝেমধ্যে এসব স্পটে অভিযান চালালেও মূল হোতা কখনো ধরা পড়ে না। স্থানীয়দের অভিযোগ, এখানকার মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে জরিনা। সে আশপাশেই থাকে এবং মোবাইল ফোনে মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে। আর জরিনা সহযোগী হিসেবে আছে জরিনার দুই ছেলে,রাব্বি,রোহান,এক মেয়ে তানিয়া ও নেতা কালামের ছেলে রিয়াজ,রাব্বি, পুলিশ সাথে লেনদেন করে মোহাম্মদ আলী ( পুলিশের সোর্স ) ।
নামা শ্যামপুর বাসিন্দা হৃদয় বলেন, ‘এলাকার উঠতি বয়সের ছেলেরা দিন দিন মাদকাসক্ত হচ্ছে। তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কায় আছেন অভিভাবকরা। কিন্তু মাদক ব্যবসায়ীরা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ছত্রছায়ায় থাকায় কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না।’ তবে পুলিশের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ অস্বীকার করে কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম বলেন, ‘মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে শতভাগ আন্তরিকভাবে কাজ করছে পুলিশ। এলাকাবাসীর অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মাদক ব্যবসায়ীদের খোঁজ নেওয়া হবে।