
এবার নড়িয়ায় স্কুল ছাত্রীকে ২ দিন গৃহবন্দী রেখে পালাক্রমে গ’ন’ধ’র্ষ’ণ করার অভিযোগ উঠেছে – গ্রেপ্তার হয়েছেন ৪ জন।
সংবাদের পাতা – এবিএম জিয়াউল হক(টিটু):
রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে পদ্মার চরে নিয়ে আগুনে পুড়িয়ে ফেলার ভয় দেখিয়ে ২দিন পালাক্রমে স্কুল ছাত্রীকে আটকে রেখে গ’ন’ধ’র্ষ’ণ করেন দু-র্বৃ-ত্ত-রা।
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে ২ দিন আটকে রেখে গ-ন-ধ-র্ষ-ণে-র অভিযোগ উঠেছে ৫ জনের বিরুদ্ধ।
ঈদের দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে নানা বাড়ি যাওয়ার সময় উপজেলার চন্ডিপুর ভিআইপি মোড় এলাকা থেকে ওই ছাত্রীকে তুলে নিয়ে সুরেশ্বর মৌলভী বাড়ি এলাকায় একটি ঘরে শনিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত আটকে রেখে ধ”র্ষ”ণ করা হয়।
পরে ভুক্তভোগী ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ছেড়ে দেয়, ছাড়া পেয়ে অটো রিক্সায় বাড়ি ফিরে আসেন।
শনিবার এ ব্যাপারে তার বড় বোন বাদী হয়ে পাঁচ জনকে অভিযুক্ত করে নড়িয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি ধ’র্ষ’ণে’র মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ সেই রাতেই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত দুদুল সরদার, তুসার মাঝি, শাকিব ও নাহিদ নামের ৪ তরুনকে গ্রেপ্তার করে।
ভুক্তভোগীকে পুলিশ হেফাজতে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান সংবাদের পাতা’কে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অভিযোগের বরাত দিয়ে ওসি জানান, ধ’র্ষ’ণে’র শিকার ভুক্তভোগী নারী উপজেলার স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে দশম শ্রেনীর ছাত্রী। সে ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের একটি গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবা বেশ কয়েক বছর আগে মারা গেছেন। কখনো মা আবার কখনো বোনদের সাথে থাকেন।
ঈদের দিন সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে তার নানা বাড়ি যাচ্ছিলেন। নানার বাড়িতে যাওয়ার সময় দুদুল সরদার ও তুষার মাঝি নামে দুই তরুন তাকে চন্ডিপুর ভি আই পি মোড় এলাকা থেকে তার মুখ চেপে তাকে তুলে নিয়ে যায়।
পরে সুরেশ্বর দরবার শরিফের রোগীদের রাখার ঘরে ওই কিশোরীকে আটকে রাখে। পরে পদ্মার চরে নিয়ে আগুনে পুড়িয়ে ফেলার ভয় দেখিয়ে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ওই দুই তরুন ও তাদের বন্ধুরা মিলে ভুক্তভোগীকে ধ”র্ষ”ণ করেন।
ভুক্তভোগী বলেন, ওই দুই তরুন শনিবার সকালে আরো তিন তরুনকে ডেকে নেয় । পরে ওই তিন তরুনও পালাক্রমে ওই ভুক্তভোগী ছাত্রীকে ধ”র্ষ”ণ করে। এর পর শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাকে একটি অটো রিকসায় উঠিয়ে দেয়া হয়।
পরে তার বোনের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৪ জনকে আটক করে নড়িয়া থানা পুলিশ এবং আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
পলাতক ১ জনকে গ্রেফতার এর চেষ্টা চলছে। আর ভুক্তভোগীর ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পর্ণ হয়েছে। সে এখন শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।পাশাপাশি আদালত ভুক্তভোগী নারীর জবানবন্দি গ্রহণ করে করেছে।
এই বিষয়ে, শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসক লিমিয়া সাদিনা মুঠো ফোনে বলেন, ধ-র্ষ-ণে-র অভিযোগে যেই নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তার ডাক্তারী পরীক্ষা করা সম্পর্ন হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়া গেলে ধ-র্ষ-ণে-র বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।