দশমিনায় তেতুলিয়া নদীতে হাত বাধাঁ মৃ-ত ব্যক্তির অবশেষে পরিচয় শনাক্ত আটক ৪ !
মু. জিল্লুর রহমান জুয়েল, (পটুয়াখালী)
পটুয়াখালীর দশমিনার রনগোপালদী ইউনিয়নের পাতারচর এলাকায় পিছনে হাত বাধাঁ অবস্থায় ২০ এপ্রিল শনিবার সকালে তেতুলিয়া নদী ভাসমান অবস্থায় নৌ পুলিশের উদ্ধার করা অজ্ঞাত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত সহ ৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
সূত্রে জানা যায়, ডি এনএ টেস্টে ও হাতের ছাপ পরিক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত হওয়া ঐ চাদঁপুর জেলার মতলব উপজেলার আনন্দ বাজার এলাকার মৃত: জিএম রহমান মনঞ্জুর ছেলে আল-আমিন, পেশায় তিনি একজন ট্রাক ড্রাইভার ছিলেন বলে দশমিনা নৌ-পুলিশের উপ-পুলিশ পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যম বৃন্দদের জানান।
এদিকে ট্রাক ড্রাইভার আল-আমিন এর হত্যা কান্ডের রহস্য খুজেঁ চার জনকে আটক করেছে নৌ পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত আল-আমিন চট্টগ্রাম থেকে রড বোঝাই করে দশমিনা- উপজেলার রনগোপালদী কালারানী নিয়ে আসলে স্থানীয় আজিজ আহমেদ গাজীর ছেলে মজিবুর রহমান মাস্টার ড্রাইভার আল-আমিন কে জিম্মি করে ট্রাকে থাকা রড গুলো করে নিয়ে কালাইয়া বন্দর বাজারের একটি চক্রের কাছে বিক্রি করে দেয় মুজিবর মাস্টার সহ আরো তিন জন। এ হত্যা কান্ডের সাথে জরিত
বাউফল উপজেলার কালাইয়া এলাকার ব্যবসায়ী নান্নু মিয়া, দিলিপ কুমার, সাইদুল ইসলাম নামের চার জনকে ২৪ এপ্রিল বুধবার অভিযান চালিয়ে চার জনকে আটক করে দশমিনা- নৌ পুলিশ।
দশমিনা থানার ওসি নূরুল ইসলাম মজুমদার, জানান, লাশ শনাক্ত কারি ট্রাক ড্রাইভার আল আমিন এর লাশ উদ্ধার করার পর থেকেই পটুয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার মহদোয় মোঃ সাইদুল ইসলাম বিপিএম পিপিএম এবং দশমিনা- গলাচিপা সহকারি পুলিশ সুপার ( সার্কেল) মোর্শেদ তোহা মহদোয়ের দিক নির্দশনায় পুলিশ কাজ করছেন, আশা করি শীঘ্র'ই এ হত্যা কান্ডের ঘটনার পুরোটাই আপনাদের জানাতে পারবো।