সবার কথা বলে

ঘূ*র্ণি*ঝ*ড় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণে জেলা প্রশাসক নূর কুতুবুল আলম

0 120

গলাচিপায় ঘূর্ণিঝড় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণে জেলা প্রশাসক নূর কুতুবুল আলম

বিশেষ প্রতিনিধি – মু.জিল্লুর রহমান জুয়েল:

ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ এর প্রভাবে বন্যার্তদের সার্বিক সহযোগীতায় বর্তমান সরকার কাজ করছেন, ২’রা জুন রবিবার পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার মিলনায়তন হল রুমে নির্বাহী অফিসার মোঃ মহিউদ্দিন আল হেলাল এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি জেলা সু-যোগ্য প্রশাসক নূর কুতুবুল আলম, ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে আর্থিক সহযোগীতা ও শুকনো খাবার বিতরণ কালে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান মু. শাহিন শাহ, নব-নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ওয়ানা মার্জিয়া নিতু, পৌর মেয়র আহসানুল হক তুহিন, উপজেলা কৃষি অফিসার আরজু আক্তার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা খোকন চন্দ্র দাস, প্রাণীসম্প কর্মকর্তা সহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যান বৃন্দ, গণমাধ্যম বৃন্দ প্রমূখ। পরে প্রধান অতিথি ১’জন বন্যার্ত ব্যাক্তিদের মাঝে শুখনো খাবার এবং জন প্রতি দু’ হাজার করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

ঘূর্ণিঝর ‘রেমাল’ এর তাণ্ডবে পটুয়াখালী উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যা পূর্বের ঘূর্ণিঝড় সিডর, আয়লা, নার্গিস, বুলবুল, ইয়াসম ও সর্বপূররি গত ২৬’মে ‘রেমাল’ তান্তব চালায় গলাচিপা, দশমিনা, রাঙ্গাবালী, খেপুপাড়া, কুয়াকাটা, মির্জাগঞ্জ ও পটুয়াখালী সদর উপজেলার বেশ ক’য়েক হাজার গ্রামে টানা দুই’দিন ব্যাপী ‘রেমাল’ নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে বায়ুতাড়িত জ্বলোচ্ছাস, দমকা ও ঝোড়ো হাওয়ার পাশাপাশি বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হয়।
যার প্রভাবে কৃষি আবাদি রবিশস্য, বসতবাড়ি, ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান, মাছের ঘের, সড়ক, মহাসড়ক, গ্রামীণ অবকাঠামো রাস্তাঘাট, বড় বড় গাছ পালা উপড়ে পরে গিয়ে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে পানিতে তলিয়ে যায়, বন্ধ হয়ে যায় যোগাযোগব্যবস্থা। এছাড়া ‘রেমাল’ তাণ্ডবে এ পর্যন্ত ১৬ জনের প্রাণহানি ছাড়াও বহু গৃহপালিত পশু মৃত্যু হয়েছে। যোগাযোগব্যবস্থা, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পরে পটুয়াখালীর উপকূলীয় সব ক’টি উপজেলা। আশ্রায়হীন হয়ে পরে প্রায় দু’ই লক্ষাধিক গ্রামবাসী।

তথ্য সূত্রে, এ পর্যন্ত ১৯ জেলায় ক্ষতিগ্রস্তদের অনুকূলে ত্রাণকার্যে নগদ পাঁচ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, পাঁচ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন চাল, ৯ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার, ২০০ বান্ডিল ঢেউটিন, গো- খাদ্যের জন্য দুই কোটি ৪৫ লাখ টাকা এবং শিশু খাদ্য কেনার জন্য দুই কোটি ৪৫ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা খোকন চন্দ্র দাস, গণকন্ঠ কে জানান, ঘূর্ণিঝড় রেমাল এর ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে সরকারের নির্দশনা অনুযায়ী পর্যবেক্ষণ ও সরজমিন অনুসন্ধান চলমান রয়েছে, অল্প ক’য়েকক দিনের ভিতরেই গলাচিপা উপজেলার সকল ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হলে, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগীতা করা হবে বলে জানান।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.