সবার কথা বলে

মৃ*ত শিশু ক”ব”র”স্থ করার পূর্বে ফিরে ফেল প্রাণ

0 109
মৃ”ত শিশু কবরস্থ করার পূর্বে ফিরে ফেল প্রাণ
জামাল উদ্দিন – সংবাদের পাতা:
একটি সন্তানের জন্য বাবা মায়ের কত আকুতি তা যাদের কোলে কোনো সন্তান আসেনি কেবল তারাই বলতে পারেন। আর সন্তান এসে অপরিপক্ক হয়ে দুনিয়ার আলোতে এসে আবার চলেও যাওয়াটাও যেন মানতে পারেন না এই দম্পতি। অনেক দিন পর সন্তান গর্ভে এলেও মাত্র ৫মাসেই রক্তক্ষরণ শুরু হয়।হঠাৎ মায়ের রক্তক্ষরণ দেখে নবজাতকের পরিবার মিঠাছরা জেনারেল হাসপাতালে আনলে গাইনি বিশেষজ্ঞ  ডাক্তার শারমিন আয়েশা জানান পেটে কোনো  বাচ্চা নেই আছে জমাট বাঁধা রক্তের চাকা।
তার কিছুক্ষণ পরেই যখন প্রসব করেন মা দেখেন তার একটি সুন্দর সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়।সাথে সাথে ডাক্তারকে বললে ডাক্তার তাকে বলেন এটি টিকটিকির মত প্রাণ কিছুক্ষণের মধ্যেই মারা যাবে।বাচ্চার মা আই সি ইউ তে নেওয়ার পরামর্শ চাইলে ডাক্তার ধমকের স্বরে চুপ করিয়ে দেন।বেশি বুঝেন বলে ধমক দেন ভুক্তভোগী রোগীকে এবং মৃত সন্তান  বলে একটি কার্টুনে প্যাকেট করে বাচ্চাটিকে বুঝিয়ে দেওয়া হয় তার পরিবারকে, কান্নার করে এমনটাই জানালেন ভুক্তভোগী অসহায় মা ।

ডাক্তার সাহেবের কথা মতে মৃত শিশু ভেবে কবর দিতে সব প্রস্তুত করেন শিশুটির পরিবার। কবরস্থ করার জন্য প্যাকেট থেকে লাশ বের করে নবজাতকের চাচা হাতে নিলে অনুভব করে হঠাৎ শিশুর শ্বাস নিচ্ছে। কাপড় খুলে দেখে শিশুর পেট নড়ছে শ্বাসপ্রশ্বাস চলছে।এ নিয়ে চাঞ্চল্যকর  বিরাজ করে পুরো এলাকায়।

এমন আকস্মিক ঘটনা ঘটে গত শনিবার  চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে মিঠানালা ইউনিয়নের পূর্ব মিঠানালা ওমর সারেং বাড়িতে। ঐ বাড়ির ইউনুস ও জেসমিন দম্পতি সাথে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত  ঘটনা ঘটে।
এদিকে সন্তান জীবিত ঘটনা সত্যতা দেখে অনেকেই মৃত ভাবা শিশুটিকে আবারও মিঠাছরা জেনারেল হাসপাতালে আনলে ডাক্তার পূর্বের ন্যায়  কোনো পরামর্শ না দিয়েই বলেন এটা মারা যাবে।কোথাও নেওয়ার প্রয়োজন নেই। এসব শুনে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।শিশুটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ  হাসপাতালে দীর্ঘ ২০ঘন্টা অবজারভেশনে রাখার পর  চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল  করেন।

এ বিষয়ে ডাক্তার শারমিন আয়েশা বলেন,  বাচ্চা মৃত এমন কথা তিনি একবারও বলেন নি। অপরিপক্ক দেখে সৌন্দর্যের জন্য কার্টুনে দেন বাচ্চাকে। এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জনাব মাসুদ রানা বলেন ডাক্তার বাচ্চাটিকে মৃত বলে ঘোষনা দেন নি বরং ঐ পরিবার সবার অগোচরে বাচ্চাকে হাসপাতাল থেকে নিয়ে যায় এবং কবর দিতে চায় এ ব্যাপারে হাসপাতাল বা ডাক্তার কিছুই জানেনা। কিন্তু জীবিত বাচ্চাকে কাপড় পরিয়ে কার্টুনে কেন দিবেন ডাক্তার এমনটা প্রশ্ন সাধারণ মানুষের মনেও।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.