
সৈয়দ এনাম উদ্দিন (৪৫) ২০১৩ সালে বিদেশি গিয়ে নিজ কর্মস্থলে মারাত্মক আহত হয়, পঙ্গু হয়ে বাড়ি ফেরত আসে, বর্তমানে প্রবাসী কল্যান মন্ত্রণালয়ের ভাতা প্রাপ্ত, পঙ্গু হওয়ার পর এককালীন অর্থ দিয়ে ১৩নং রসুলপুর ইউনিয়নের রফিকপুর মৌজার বি এস-৩৪২ বর্তমানে ৬৩৫৭ দাগের ২৪ শতক জমি কিনে বাড়ি করেন ২০২১ সালে।
এরপর থেকেই বিভিন্ন অজুহাতে পাশের জমির মালিক আহম্মদ উল্ল্যা (আমির) চাঁদা দাবী করে।
গত ১৭জুন ২০২২ সালে ঘর নির্মাণ কালে আমির বাধা দিয়ে ২লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করলে শান্তি বজায় রাখার জন্য দুই লাখ টাকা চাঁদা দেয় এনাম।
এই ঘটনায় বেগমগঞ্জ থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
এই ব্যাপারে বেগমগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেনকে মুটোফোনে জানতে চাইলে, তিনি এই ব্যাপারে জানেন না বলে জানিয়েছেন। তবে কেউ মামলা করতে চাইলে মামলা নিবে বলে সাংবাদিকদের জানান তিনি।
১৩ নম্বর রসুলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ বলেন বিষয়টা অবগত ছিলাম না যেহেতু এখন জানলাম আমি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।