সবার কথা বলে

৫জন চাঁদাবাজ কে “গ্রে ফ তা র” করেন – শ্যামপুর মডেল থানা পুলিশ

0 158

৫জন চাঁদাবাজকে গ্রেফতার করেন – শ্যামপুর মডেল থানা পুলিশ।

এম এ জব্বার – সংবাদের পাতা:

পুলিশ সূত্রে জানা যায় – গোপালগঞ্জ জেলার মোঃ জামিল হোসেন, তিনি বডি “স্পা” র কাজ করে থাকেন এবং অন-লাইনের মাধ্যেমে বিভিন্ন স্থানে গিয়েও এ কাজ করে থাকেন তিনি।

ঘটনা সূত্রে : ১৬ জুন রবিবার আনুমানিক রাত ১০ টার সময় তার মোবাইল নাম্বারে অজ্ঞাতনামা একজন ব্যক্তি থেকে তার পেইন থেরাপি দেওয়ার জন্য তাকে ধোলাইপাড় নৌকা ব্রীজের নিচে আসতে বলেন।

পরবর্তীতে নৌকা ব্রীজের নিচে আসলে – অজ্ঞাতনামা ১ জন ব্যক্তি তাকে জুরাইন খন্ডকার রোডে ১টি গলির ভিতর নিয়ে যায়।

উক্ত স্থানে পূর্ব হইতে আরো ৫/৬ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি রাত আনুমানিক ১১টার সময় – শ্যামপুর থানাধীন ৪০২/১/১ পশ্চিম জুরাইন, খন্ডকার রোড, রওশন আরা আহম্মেদ এর বাড়ীতে পঞ্চম তলায়, একটি ফ্রাটে নিয়ে যায়।

পরে আসামীরা তাকে ঐ ফ্লাটে আটকে রেখে মারধর করা সহ বিভিন্ন ভয়ভীত প্রদান করে, তাহার নিকট ১ লক্ষ টাকা দাবী করে এবং তার সাথে থাকা নয় হাজার টাকা ছিনিয়ে নেন আসামীরা।

ঘটনা এখানেই শেষ নয় – আসামীরা মোঃ জামিল হোসেন কে জোড় পূর্বক উলঙ্গ করে তার ভিডিও ছবি ধারন করে এবং ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিবে বলে জানান এবং তাকে মৃত্যুর হুমকিও দিয়ে থাকেন।

অতঃপর আসামীরা বাদীর সোনালী ব্যাংকের ওয়ালেট এ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড নিয়ে তার একাউন্ট হইতে, আসামীদের একাউন্টে মোট ২লক্ষ টাকা ট্রান্সফার করে নেয়।

পড়ে বাদীর নিকট হইতে আরো টাকা নেওয়ার জোড়পূর্বক করে থাকেন আসামীরা। আসামীরা ২ দিনের মাথায় তাকে ছেড়ে দেন বিভিন্ন হুকমী প্রদান করে।

এক পর্যায়ে বাদী শ্যামপুর থানায় আসামীদের বিষয়ে একটি অভিযোগ করেন – এ ঘটনার সূত্র ধরে শ্যামপুর মডেল থানা পুলিশ – আসামী চক্রের ৫জন কে গত ২৫ জুন গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।

এ বিষয়ে সংবাদের পাতা’কে তথ্য নিশ্চিত করেন, ডিএমপি ওয়ারী বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ আলাউদ্দিন। তিনি বলেন, ঘটনায় জড়িত আসামীগন পেশাদার চাঁদাবাজ, পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে বাদীকে ঘটনা স্থলে নিয়ে, আটক রেখে মারধর করা সহ ভয়ভীত দেখিয়ে চাঁদা, দাবী ও আদায় করে থাকেন।

এসময় আসামীদের নিকট হইতে নগদ ৫ হাজার টাকা উদ্ধার করে এবং তাদের আদালতে প্রেরণ করেন – শ্যামপুর মডেল থানা পুলিশ।

 

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.