সবার কথা বলে

প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধ র্ষ ণ ও টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে

0 90
প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ ও টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে সৈয়দপুর গোলাহাটের এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন।
মোঃ মাসুদুর রহমান – (নীলফামারী) প্রতিনিধিঃ 
নীলফামারী সৈয়দপুরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ ও টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মো: দেলোয়ার হোসেন (৪০) পিতা মৃত বারি মোল্লা, গোলাহাট পূর্ব পাড়া গোলাহাট স্কুল ও কলেজের পিছন বসবাসকারী। বাঁদিনী মোসাম্মৎ কুলসুম বেগম ( ৩৬) স্বামী মোঃ আব্দুল সালাম, পূর্ব পাড়া স্কুল ও কলেজের পিছনে। আসামি ও বাঁদিনীর বাড়ি একই জায়গায় হওয়ার কারণে
বাদিনী কুলসুম জানান দীর্ঘদিন যাবত সে ইপিজেডে চাকরি করে আসছেন। তাহার সাংসারিক বাজার খরচ ১ নং আসামি দেলোয়ার এর দোকান থেকে ক্রয় করিয়া থাকেন। আসামির দোকান হইতে বাজার খরচ দীর্ঘদিন যাবৎ করায় একটি সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সুবাদে  আসামি দেলোয়ারের দোকান প্রায় খরচ করার জন্য গেলে বাদিনীকে প্রেমের ও বিবাহের প্রস্তাব দেন। একপর্যায়ে বাদিনী ১ নং আসামী দেলোয়ারের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সুবাদে আসামি দেলোয়ার বাদিনীর প্রতি মাসের বেতন ১৫ হাজার করে জমা রাখার পরামর্শ দেয় এবং বলে যে এই টাকা একদিন বেশি হলে তোমার মেয়ের বিয়ের খরচ হিসাবে আমার থেকে নিয়ে তোমার মেয়ের বিয়ে দিতে পারবে। কুলসুম তার কথায় সরল মনে বিশ্বাসে দীর্ঘ চার বছর যাবত প্রায় ৫ লক্ষ টাকা জমা করে। বর্তমানে কুলসুমের মেয়ে কলেজে লেখাপড়া করছে।
তাকে বিয়ে দিতে চাইলে তার প্রেমিকা দেলোয়ারের কাছে টাকা চাইলে দিতে অস্বীকার জানায়। এক পর্যায়ে দেলোওয়ার ২৯ ০৫/২০২৪ তারিখে টাকা দেওয়ার কথা বলে কুলসুমকে কয়ানিজ পাড়া তার বন্ধু পল্লী ডাক্তার খোকন ডাক্তারের বাসায় নিয়ে যায় এবং ফাঁকা বাসায় জোরপূর্বক কুলসুমকে ধর্ষণ করে। এরূপ কেন করলো কুলসুম জিজ্ঞাসা করলে তখন দেলোওয়ার তাকে এই বলে সান্ত্বনা দেন যে তাকে বিয়ে করবে এবং টাকাও ফেরত দিবে মর্মে অঙ্গীকার করেন। কিছুদিন অতিবাহিত হলে কুলসুম আবারও দেলোয়ারের নিকট টাকা চাইলে আসামি ১৫/০৬/২৪ তারিখে টাকা দিবেন বলে আশ্বাস দেন। অতঃপর আসামি আনুমানিক ওইদিনে আনুমানিক রাত ১ টার সময় তার বাড়ির পিছনে একটি খালি জায়গায় নিয়ে যেয়ে খোলা কক্ষে জোরপূর্বক আবার ধর্ষণ করে। সে সময় কুলসুমের স্বামী মোঃ আব্দুল সালাম ঘটনা স্থলে
উপস্থিত হইয়া আসামিকে ধরিতে গেলে আসামি পালাইয়া যায় অতঃপর এসব ব্যাপারে স্বামী জানতে পারলে সবকিছু খুলিয়া বলেন এবং আদালতে গিয়ে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আইন (সংশোধন ২০১৮) এর ৯ (১)সঃ বিঃ ৪০৬ ধারায় মামলা দায়ের করেন।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.