
দশমিনায় নদীতে অবৈধ নিষিদ্ধ জাল উদ্ধার কাজে ইউপি সদস্যের জেলেদের বাধাঁ; রুপালী সম্পদ হুমকিতে !
ডেক্স রিপোর্ট : সংবাদের পাতা:
পটুয়াখালীর দশমিনার আগুনমুখা, তেতুলিয়া নদীতে অভিযানের সময় ইউপি সদস্যের ইন্ধনে তার অনুসারী জেলে দস্যুদল নৌ-পুলিশকে ধাওয়া করার খবর পাওয়া গেছে।
দশমিনা উপজেলার স্থানীয় প্রতিনিধির পাঠানো তথ্যে জানা যায়, উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নের চরঘূণী গ্রামের বুড়াগৌরঙ্গ নদীতে দীর্ঘ বছর সরকারের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয় নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য করে আগুনমুখা নদীতে সরকার নিষিদ্ধ রাক্ষুসে বাধাঁ ও কারেন্ট জাল দিয়ে এক’ই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোশারেফ হোসেন ৩ থেকে ৪ টি অবৈধ নিষিদ্ধ বাঁধা জাল দিয়ে মাছ শিকার করে লক্ষ লক্ষ টাকা। এতে একদিকে হাড়াচ্ছে দেশের বর্তমান আগামী প্রজন্মের রুপালা সম্পদ অন্যদিকে ধ্বংস হচ্ছে লক্ষ লক্ষ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা।
এছাড়াও ২২ দিনের নদীতে ইলিশ শিকার নিষেধাজ্ঞার মধ্যে স্থানীয় ক্ষমতা দেখিয়ে দিনের পর দিন আগুনমুখা নদীতে নিষিদ্ধ বাধাঁ, কারেন্ট জাল দিয়ে স্থানীয় জেলেদের দিয়ে অবৈধ বাঁধা জাল দিয়ে মাছ ধড়িয়ে আসছে ইউপি সদস্য মোশারেফ হোসেন।
এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাধিক জেলে সম্প্রদায় বলেন, আমরা রাক্ষুসে বাধাঁ নদীতে ঠিকমতো জাল ফেলতে পারিনা বাঁধা জালের কারনে। জোয়ার ভাটায় আমাদের জাল ওই অবৈধ বাঁধা জালের উপর উঠে ব্যাপক ক্ষতি হয়। আমাদের ইউপি সদস্যে মোশারেফ হোসেনের দাপটে এবং তার ছত্রছায়ায় একাধিক নিষিদ্ধ অবৈধ বাঁধা জাল ফেলে রাখে। আমরা এর প্রতিবাদ করলে ইউপি সদস্য মোশারেফ হোসেন এবং তার পেটওয়া বাহিনী দিয়ে হুমকি ধামকি দেন। মোঙ্গলবার বিকেলে নদীতে অবৈধ জাল অপসারনে নৌ-পুলিশের একটি টিম আগুনমুখা নদীতে অভিযান চালালে ইউপি সদস্য তাদের সহযোগিতা না করে উল্টো তাদের তাড়াতে হুকুম দেয়।
এ বিষয়ে ইউপি সদস্যের মুঠোফোন কল করলে তিনি জানান, আমি যেহেতু ইউপি সদস্য, ঐ এলাকার সবা’ই আমার, নদীতে নৌ পুলিশের অভিযানের কথা আমাকে খবর দিলে, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজখবর নদীর পারে জাইগা , অবৈধ বাধাঁ ও কারেন্ট জাল ও নৌ পুলিশের সরকারি কাজে বাধাঁ দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে, তিনি তা অস্বীকার করেন।
নিয়োমিত ট্রহল এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোঙ্গলবার বিকেল ৫ টার দিকে নৌ পুলিশের একটি টিম আগুন মুখা নদীতে অবৈধ নিষিদ্ধ বাধাঁ জালের ড্রামের দড়িঁ কেটে দেই। এসময় উসৃঙ্খল বেশ কিছু জেলে সদস্যরা দুইটি ট্রলার এক যোগে এসে বিশৃঙ্খল সৃষ্টি করে, নৌপুলিশের জনবল কম থাকায় আমরা অভিযান ছেড়ে চলে আসি তবে, দেশের রুপালী সম্পদ ধ্বংশ এবং নদীতে অবৈধ নিষিদ্ধ রাক্ষুসে বাধাঁ- কারেন্ট জাল ব্যাবহার করলে, আমরা আরো জোরাল আইনী পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে এমনটা’ই মুঠোফোনে জানান দশমিনা নৌ পুলিশ উপ- পরিদর্শক এসআই আশরাফ উজ্জামান।