সবার কথা বলে

“সার্ভার জটিলতায় বন্ধ ভূমি অফিস, ভোগান্তিতে সেবা গ্রহিতা”

0 44
“সার্ভার জটিলতায় বন্ধ ভূমি অফিস, ভোগান্তিতে সেবা গ্রহিতা”
মোঃ জাহিদুল ইসলাম – সংবাদের পাতা:

সোনাইমুড়ীতে সার্ভার জটিলতায় অনলাইনে ভূমির জমাখারিজ, নামজারি, পরচা ও খাজনা রশিদ কাটা যাচ্ছেনা। এতে সোনাইমুড়ি রেজিস্ট্রি অফিস ও ভূমি অফিস অকার্যকর পরিস্থিতি বিরাজমান, সাধারণ জনগণের ভোগান্তি চরমে।তথ‍্যসূত্রে জানা যায়, সোনাইমুড়ির ন‍্যায় সারাদেশে রেজিস্ট্রি অফিসগুলো সফ্টওয়্যার জটিলতায় অচল হয়ে পড়েছে। গত ২০ দিন ধরে চলা স্থবিরতায় সীমাহীন ভোগান্তিতে পড়েছে সারাদেশের কোটি ভূমি সেবাগ্রহীতা । কেউই নামজারি, জমাখারিজ, খাজনা পরিশোধের আবেদন করতে পারছে না। পূরনো আবেদনকারী ও কারো সমস্যা সমাধান করা যাচ্ছেনা। এই অবস্থায় দ্রুত নামজারি, জমাখারিজ, খাজনা পরিশোধের বিকল্প ব‍্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন ভূমি মালিকগন । এ বিষয়ে ভুমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ এফ হাছান আরিফ বলেন, “আগে ভূমিকর খাজনা, খতিয়ান ও অন্যান্য ভুমি সেবার জন্য ৫ ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করা হতো। এখন একটি সফটওয়্যার এর মাধ্যমে ভুমি সংক্রান্ত সব সেবা দেওয়া হবে”। পাঁচটি সফটওয়্যার একীভূত হওয়ার কারণে সার্ভার জ্যাম হয়ে গিয়েছিল। এখনো অনেক সমস্যা হচ্ছে এর জন্য এক্সপার্ট টিম কাজ করছে, যারা সমস্যাগুলো সমাধান করছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সারা বাংলাদেশের ভূমি অফিসগুলো কার্যত অচল হয়ে আছে, গত ২০ শে নভেম্বর থেকে কাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কোন অফিস থেকে নতুন আবেদন জমা বা খাজনা রশিদ বাহির হয় নাই। সে আলোকে সোনাইমুড়ি – চাটখিলের লক্ষ লোক বিপাকে পড়ে আছে। সোনাইমুড়ি – চাটখিল রেজিস্ট্রি অফিসে সকল দলিল বন্ধ হয়ে গেছে প্রায়, এতে করে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। বন্ধ হয়ে গেছে সোনাইমুড়ী – চাটখিল উপজেলার ভূমি বিক্রয়, যেতে পারছে না বিদেশে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাধারণ জনগণ বিভিন্নভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে এবং ভুমি সেবকদের প্রতি বিরূপ মন্তব্য করছে। এ বিষয়ে সোনামুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাছরিন আক্তারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার কাছেও অনেক লোকজন এসেছে আমার তো কিছু করার নাই আমি কথা বলব এসিলেন্ট অফিসে, এ বিষয়ে সোনাইমুড়ি ভূমি কর্মকর্তা দ্বীন আল জান্নাত সহকারি কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট বলেন আমাদের কিছু করার নাই, সরকার সফটওয়্যার আপডেটের কাজ করছেন,এ কারণে হয়তো অনেকের সমস্যা হচ্ছে। আমার কাছেও বহু লোকজন এসেছে, আমার তো কিছু করার নাই, আমি অতশত বুঝিনা, সফটওয়্যারে কাজ না করলে আমাদের কি করণীয় আছে, নতুন কোন আবেদন ও হয় না আগের কোন খারিজও বাহির হয় না। সোনাইমুড়ির সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের রেজিস্ট্রার আনছার আহম্মদ জানান প্রতিদিন এ সময় গড়ে দুই শত দলিল হতো, কিন্তু এখন তিন / চার টা হয়, এর কারণে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে, মানুষের অনেক বেশি ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, এর মাঝে গত দুই মাস নকল নবিশগন আন্দোলন করেছে।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.