
সোনাইমুড়ীতে খাদ্য বান্ধব কর্মসুচীর ডিলার নিয়োগে দূর্নীতি ও বৈষম্যের অভিযোগ।
মো: জাহিদুল ইসলাম – সংবাদের পাতা:
সোনাইমুড়ীতে খাদ্য বান্ধব কর্মসুচীর ডিলার নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেন ভূক্তভোগী সাধারণ ব্যবসায়ীরা। ২৬ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬ টায় সোনাইমুড়ি প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সোনাইমুড়ি উপজেলার নান্দিয়া পাড়া বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ভূইয়া ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মাকসুদুর রহমান । তিনি তার বক্তৃতায় বলেন, “আমি দীর্ঘদিন নান্দিয়া পাড়া বাজারে সুনামের সাথে ব্যবসায় কার্যক্রম চালিয়ে আসছি। গত কিছু দিন আগে বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য অধিদপ্তরের সোনাইমুড়ি উপজেলা অফিসের বিজ্ঞপ্তি মারফত জানতে পারলাম যে সরকার খাদ্য বান্ধব কর্মসুচীর ডিলার নিয়োগের জন্য ফুড সনদধারীদের থেকে দরপত্র আহবান করেছে, তখন আমি ফুড সনদ পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সকল প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বৈধ কাগজপত্র জমা দেই কিন্তু আমাকে সনদ না দিয়ে আমার পার্শ্বের হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী দিপু , যিনি নামে মাত্র কয়েকটি তাক সাজিয়ে ছবি তুলে ভূয়া কাগজপত্র জমা দিলে তাকে খাদ্য পরিদর্শক আবদুল করিম অর্থের বিনিময়ে ফুড সনদ প্রদান করে।” এ সময় তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদেরকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “আমি আপনাদের মাধ্যমে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট এই অনিয়ম ও দূর্নীতির বিচার দাবি করছি ,পাশাপাশি দূর্নীতিবাজ ও আওয়ামীলীগের প্রেতাত্না খাদ্য পরিদর্শক আবদুল করিমের অপসারণের দাবি করছি।” সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নান্দিয়া পাড়া বাজারের অন্য আরেক ব্যবসায়ী রেজাউল হক এন্ড সন্স স্টোরের স্বত্বাধিকারী মোঃ রেজাউল করিম, সোনাইমুড়ি কলেজ গেইটের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নূর ভ্যারাইটিজ ষ্টোরের মালিক নূরুন নবী সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা ফুড সনদ বঞ্চিত ও টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অংশ গ্রহন করতে না পারা ব্যবসায়ীরা। সবাই একযোগে খাদ্য পরিদর্শক আবদুল করিমের বিভিন্ন সময়ের অনিয়ম ও ঘুষ দাবির কথা তুলে ধরেন। এই সময় ব্যবসায়ীদের মধ্যে উপজেলার আমিশাপাড়া বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জনাব ফিরোজ আলম ভূট্টো উপস্থিত সাংবাদিকরেকে বলেন, “ আমি ৫ ই আগষ্টের আগে এই কর্মসুচির ডিলার নিয়োগ পাওয়ার জন্য কাগজ পত্র জমা দিয়েছিলাম কিন্তু সেটা বাতিল হয়ে যাওয়ায় আমি পরবর্তী নিয়োগের জন্য অপেক্ষা করি কিন্তু গোপনে অপ্রচলিত পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করায় আমরা জানতে পারি নাই,যা করা হয়েছে আমাদের মত প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীদের বঞ্চিত করার জন্য। আমি আজকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যলয় এসে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে তাদের অভিযোগের কথা জানতে পারি এবং সাথে সাথে ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধি হিসাবে উপজেলা নির্বাহি অফিসারকে বিষয়টি অবহিত করি। কিন্তু তিনি আমাকে এর কোন সদুত্তর না দিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে বলেন, যাহা একজন নির্বাহি কর্মকর্তার দায়িত্বশীল আচরণ হয়নি বলে মনে করি।” তিনি আরো বলেন, “ অনতিবিলম্বে দূর্নীতিবাজ আওয়ামী দোষর এই খাদ্য পরিদর্শক আবদুল করিমকে অপসরণ করতে হবে, না হয় আমরা বঞ্চিত ব্যবসায়ীদেরকে সাথে নিয়ে আগামী রবিবার সোনাইমুড়িতে মানববন্ধন সহ প্রয়োজনীয় কর্মসূচি গ্রহন করবো।”