
রমজানের শুরুতে নড়িয়ায় নিত্যপণ্যের বাজারদর।
এম এ জব্বার – সংবাদের পাতা:
পবিত্র রমজান মাসের শুরুতেই শরীয়তপুরের নড়িয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে দামের কিছুটা ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে কাঁচাবাজার, মুদি পণ্য ও ফলের বাজারে ক্রেতাদের বাড়তি চাপ দেখা যাচ্ছে। বুধবার ১৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে নড়িয়া বাজারে ক্রেতা বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
কাঁচাবাজারে বাড়তি চাপঃ
রমজান উপলক্ষে ইফতার ও সেহরির চাহিদা বাড়ায় সবজি ও নিত্যপণ্যের দাম কিছুটা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।
গত সপ্তাহের তুলনায় বর্তমান বাজার দরঃ
পেঁয়াজ: ৪৫–৪৫ টাকা কেজি (স্বাভাবিক)
আলু: ২৫–৩০ টাকা কেজি
বেগুন: ৬০–৮০ টাকা কেজি
শসা: ৬০–১২০ টাকা কেজি
কাঁচা মরিচ: ১২০-১৬০ টাকা কেজি
টমেটো: ৩০-৩০ (স্বাভাবিক)
লেবু: ৬০-৮০
ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও চাহিদা বাড়ার কারণে দাম কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী।
মুদি পণ্যে মূল্য বৃদ্ধি গত সপ্তাহের তুলনায়ঃ
মুদি দোকানগুলোতে চাল, ডাল ও তেলের দামে সামান্য বৃদ্ধি দেখা গেছে।
চাল (মিনিকেট/নাজিরশাইল): ৬০–৮০ টাকা কেজি
মসুর ডাল: ৯০–১০০ টাকা কেজি
ছোলা: ৮৫–৯০ টাকা কেজি
সয়াবিন তেল (বোতল): ১৯০–২০০ টাকা লিটার
চানা বুট: ১১০-১২০ টাকা কেজি
মুড়ি: ৮০-৯০ টাকা কেজি
গুড়: ১৪০-১৪০ (স্বাভাবিক)
এংকার ডাল: ৬০-৬০ টাকা কেজি (স্বাভাবিক)
মরিচ ও হলুদের গুড়া: ৩৬০-৩৬০ টাকা কেজি (স্বাভাবিক)
চিড়া: ৬০-৬০ টাকা কেজি (স্বাভাবিক)
জিরা: ৭০০-৭০০ টাকা কেজি (স্বাভাবিক)
বিক্রেতারা জানান, আমদানি ও পাইকারি বাজারের দামের প্রভাবেই খুচরা বাজারে এ বৃদ্ধি।
ফলের বাজার গত সপ্তাহের তুলনায় বর্তমান বাজার দরঃ
রমজানে ইফতার সামগ্রীর তালিকায় ফলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ফলের বাজারেও দাম বেশি।
পেপে: ১৩০-১৫০ টাকা কেজি
খেজুর: (প্রতিনিয়ত)২৫০ টাকা কেজি তবে গত বছরের তুলনায় ৪০/- টাকা কেজিতে বেশি।
আপেল: ২৫০–৩৫০ টাকা কেজি
কমলা: ৩২০ টাকা কেজি (স্বাভাবিক)
মাল্টা: ২৮০–৩৫০ টাকা কেজি
কলা: (হালি) ৩০–৪০ টাকা
বেদানা: ৪৫০ টাকা কেজি (স্বাভাবিক)
আনারস: জোড়া ১৫০ টাকা
পেয়ারা: ১০০ টাকা বেমি গত বছরের তুলনায় এবছর ২০ টাকা বেশি।
ক্রেতাদের ভোগান্তিঃ
স্থানীয় ক্রেতারা জানান, রমজান শুরুর আগেই বাজারে দাম কিছুটা বাড়ে, যা মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য চাপ সৃষ্টি করে। তবে প্রশাসনের বাজার তদারকি জোরদার হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
রমজানের শুরুতে নড়িয়ার বাজারে নিত্যপণ্যের দামে কিছুটা ঊর্ধ্বগতি দেখা গেলেও সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। বাজার তদারকি ও সরকারি উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে দাম স্থিতিশীল থাকতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।