
এম এ জব্বার - সংবাদের পাতা:
সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে শরীয়তপুরের বিভিন্ন এলাকায় পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপন করা হচ্ছে। জেলার অন্তত ৫০টি গ্রামের প্রায় ২০ হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি এ ঈদ উদযাপনে অংশ নিয়েছেন।
বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টায় নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর দরবার শরীফে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। একই সময়ে পৃথক মাঠে আরও একটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। জামাতে ইমামতি করেন শাহ সুফি সৈয়দ বেলাল নূরী আল সুরেশ্বরী ও মাওলানা মো. জুলহাস উদ্দিন।
জামাত শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। তবে দরবার শরীফের নিয়ম অনুযায়ী কোন পশু কোরবানি করা হয়না।
স্থানীয় ভাবে জানা গেছে, জান শরীফ শাহ সুরেশ্বরী নামে এক সুফি সাধকের প্রতিষ্ঠিত সুরেশ্বর পাক দরবার শরীফের কয়েক লাখ ভক্ত ও অনুরাগী রয়েছেন সারাদেশে। সুরেশ্বরী দরবার শরীফের এসব ভক্ত ও অনুরাগীরা ১৯২৮ সাল থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে বাংলাদেশের একদিন আগেই রোজা ও ঈদ পালন করেন। এর মধ্যে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর, কেদারপুর, চাকধ, চন্ডিপুর সহ ৫০ গ্রামের প্রায় ২০ হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লি মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে আজ পবিত্র ঈদুল জহা পালন করেন।
দরবার শরীফ সূত্র জানায়, প্রায় ১৫০ বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও দুই ঈদ উদযাপন করে আসছেন। এবারও সেই ধারাবাহিকতায় একদিন আগে ঈদুল আজহা উদযাপন করা হয়েছে।