
একদিকে পলি জমে জেগে উঠছে বিস্তীর্ণ চর, অন্যদিকে সংকুচিত হচ্ছে নদীর মূল প্রবাহ। ফলে নদী হারাচ্ছে নাব্যতা, বাড়ছে ভাঙন, ব্যাহত হচ্ছে নৌযান চলাচল, কমছে ইলিশসহ দেশীয় মাছের উৎপাদন। শরীয়তপুরের পদ্মা নদীর মাঝিরঘাট থেকে সুরেশ্বর পর্যন্ত প্রায় পুরো নদীপথেই এখন এমন চিত্র। নদীর বুকে ক্রমাগত পলি জমে সৃষ্টি হওয়া এসব চরের কারণে শুধু নদীর স্বাভাবিক গতিপথই পরিবর্তিত হচ্ছে না, এর প্রভাব পড়ছে নদীকেন্দ্রিক অর্থনীতি, জীববৈচিত্র্য ও মানুষের জীবিকায়।
নড়িয়ার হাজার হাজার জনগনের কাঙ্খিত পদ্মা বেরিবাধ রক্ষায় ডুবচরগুলো কেঁটে গভীরতা সৃষ্টি করতে হবে এবং নদীর মাঝ পথে স্রোত প্রবাহিত করতে হবে এবং সুরেশ্বর নদীর পাড় দিয়ে দুই লেনের রাস্তা নড়িয়া পর্যন্ত নির্মাণ করতে হবে তা না হলে সুরেশ্বর বাসি মানববন্ধন সহ সারকলিপির কর্মসূচি পালন করবে এবং বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠিন কর্মসূচি গ্রহন করা হবে বলে জানান।
শনিবার ৪ জুলাই বিকেলে সুরেশ্বর লঞ্চঘাটে স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে এ বিষয়ে মত বিনিময় করেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সুশীল সমাজের সম্মানিত ব্যক্তিবর্গরা।