সবার কথা বলে

প্রাঃ শিক্ষা অফিসে ১৫ জনের কাজ করছে মাত্র ৫ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী

0 370

নোয়াখালী হাতিয়া উপজেলা প্রাঃ শিক্ষা অফিসে ১৫ জনের কাজ করছে মাত্র ৫ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী।

মোঃএনায়েত হোসেন(নোয়াখালী):

নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে কর্মকর্তা ও কর্মচারীর অভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর কাজ করতে অসুবিধা সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানান, ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার।ফলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকগণ উপজেলা শিক্ষা অফিসে এসে।

চারপাশে নদী মাঝখানে দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া। এখানে শিক্ষার হার প্রায় ৯৫% বলে চলে।এখানকার প্রতিটি ছেলেমেয়েরা বিদ্যালয় মুখী।

দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে হাতিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে কর্মকর্তা কর্মচারীর অভাবে ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন সৃষ্টি হচ্ছে শিক্ষা অফিস।যেখানে থাকার কথা ১৫ জন, সেখানে দিনরাত কাজ করছে মাত্র ৫ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী। বাকি ১০ জনের পদ শূন্য হয়ে পড়ে আছে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে।এদিকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষকগণ যখন অফিসের কাজে আসে, তখন শিক্ষকগণ লাইলে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে অপেক্ষায় দিন ঘনতে হয়। এদিকে স্কুলের ক্লাসের সময় পার হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ।

হাতিয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ কামরুল ইসলাম জানান, ১৫ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর কাজ করতে হয় মাত্র ৫ জন কর্মকর্তা, কর্মচারী দিয়ে। এভাবে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে চলছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কার্যক্রম।অনেক সময় অফিসের কাজ শেষ করে বাসায় গিয়ে পুনোরায় আবার রাতেও অফিসের কাজ করতে হয়। অনেকবার নোয়াখালী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে আমরা যে সকল পদ শূন্য পড়ে রয়েছে তার তালিকা পাঠিয়েছি, কিন্তু শূন্য পদে পড়ে থাকা কর্মকর্তা, কর্মচারী পাঠানো হচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার ১ জন থাকার কথা কিন্তু সেখানে ঐ পদটা শূন্য পড়ে রয়েছে।সহকারী শিক্ষা অফিসার ৮ জনের জায়গায় মাত্র ২ জন, বাকি ৬ জনের পদ শূন্য হয়ে আছে। উচ্চমান সহকারী ১ জন তা ঠিক আছে। অফিস সহকারী কামকম্পিউটার অপারেটর ২ জন কিন্তু ২ জনে শূন্য পদে পড়ে আছে, হিসাব সহকারী পদ ১ জন, ঐ পদ ঠিক আছে।

এমএলএসএস ২ জন থাকার কথা কিন্তু ২ জনের পদ শূন্য পড়ে আছে। এভাবে থাকলে ৫ জন লোকের দ্বারা অফিসের কাজ করা সম্ভবনা। প্রতিদিন অফিস করলে, ইউনিয়ন পর্যায় গিয়ে আবার স্কুল গুলো পরিদর্শন করা খুবই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।আমরা কি স্কুল গুলো পরিদর্শন করবো নাকি অফিস করবো তা ভেবে পাচ্ছি না।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার যদি আমাদের এই শূন্য পদ গুলো বিবেচনা করেন। তাহলে আমাদের ১৫ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী পদগুলো পূরণ হয় এবং হাতিয়া উপজেলায় শিক্ষার মান আরও উন্নত করতে পারবো বলে আমার বিশ্বাস।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.