
দুদক কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যা বললেন সারজিস ও হাসনাত।
নিজেস্ব সংবাদদাতা – সংবাদের পাতা:
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের নাম ভাঙিয়ে মিথ্যা মামলা ও চাঁদাবাজির চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সমন্বয়ক সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহ।
(২৯ আগষ্ট) বৃহস্পতিবার দুদক কার্যালয় থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম।
বৃহস্পতিবার দুপুরে (২৯ আগস্ট) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যানকে বিষয়টি অবগত করতে এই দুই সমন্বয়কের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি টিম দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটির চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা করে। পাশাপাশি নিরপরাধ কাউকে হয়রানি না করার জন্যও চেয়ারম্যানকে অনুরোধ করেন তারা।
গণমাধ্যমকর্মীদের সারজিস বলেন, ‘একটা গোষ্ঠী মিথ্যা মামলা ও চাঁদাবাজির চেষ্টা করছে। এই দুটি সমস্যা খুবই প্রকট। কেউ যদি আমাদের নাম ভাঙিয়ে বা না ভাঙিয়ে মিথ্যা মামলা বা চাঁদাবাজির চেষ্টা করে; তাদের বিরুদ্ধে কমিশন যেন কঠোরভাবে অবস্থান নেয়। যদি কোনো সমস্যা হয়, তাহলে যেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করে ও সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দুদকে স্পষ্ট বার্তা দিতে এসেছি, আমরা কখনও চাঁদাবাজি ও মিথ্যা মামলা সমর্থন করি না। যারা এগুলো করে, তাদেরকে যেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত তুলে দেয়া হয়।’
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা দুদকে এসেছি। আমরা খবর পেয়েছি আমাদের নাম ব্যবহার করে চাঁদা চাওয়া হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়। স্বাক্ষর নকল করে মামলা দেয়া হচ্ছে। এসব বিষয়ে আমাদের কোনো সম্পৃক্ততা নাই। আমাদের নাম ব্যবহার করে অসাধু উপায়ে সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা এ বার্তাটি স্পষ্ট করতে এসেছি। আমাদের লিগ্যাল কোনো অথরিটি নাই। আমাদের নাম ব্যবহার করে বিশেষ কোনো সুযোগ-সুবিধা নেয়ার ও দেয়ার এখতিয়ার আমরা রাখি না।’
সিস্টেম সিস্টেমের মতো চলবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কাউকে পদে বসানো, কাউকে পদত্যাগ করানো, কারও থেকে চাঁদা তোলা বা তদবির করা এগুলো প্রাচীন, অতীত। আমরা এসবকে লকারবন্দি করতে চাই।’