সবার কথা বলে

দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও দারুণ প্রত্যাবর্তন, কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

0 8

দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও দারুণ প্রত্যাবর্তন, কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

ডেস্ক রিপোর্টঃ

দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। আটলান্টায় অনুষ্ঠিত শেষ ষোলোর ম্যাচে লিওনেল মেসির দল নাটকীয় লড়াইয়ে মিশরকে ৩-২ গোলে পরাজিত করে শেষ আটের টিকিট নিশ্চিত করেছে।

ম্যাচের শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় আর্জেন্টিনা। ১৫ মিনিটে মারওয়ান আতিয়ার ক্রস থেকে ইয়াসির ইব্রাহিমের হেডে এগিয়ে যায় মিশর। এরপর ২০ মিনিটে পেনাল্টি পেলেও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি মেসি। তাঁর নেওয়া শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর। পরে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও হুলিয়ান আলভারেসের কয়েকটি ভালো সুযোগও নষ্ট হয় শোবেইরের দুর্দান্ত সেভে।

দ্বিতীয়ার্ধে মোস্তফা জিকো প্রথমে একটি গোল করলেও ভিএআরের সিদ্ধান্তে সেটি বাতিল হয়। তবে কিছুক্ষণ পর মোহাম্মদ সালাহর তৈরি করা আক্রমণ থেকে জিকো আবারও গোল করে মিশরকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।

দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর বদলে যায় আর্জেন্টিনার খেলার ধরণ। শেষ ১১ মিনিটে টানা তিন গোল করে অসাধারণ প্রত্যাবর্তন সম্পন্ন করে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। প্রথমে ক্রিস্টিয়ান রোমেরো হেডে ব্যবধান কমান। এরপর ৮৩ মিনিটে গনসালো মন্টিয়েলের পাস থেকে দুর্দান্ত হাফ-ভলিতে সমতা ফেরান অধিনায়ক লিওনেল মেসি। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে লটারো মার্তিনেসের ক্রস থেকে এনজো ফার্নান্দেজের হেডে আসে জয়সূচক গোল।

ম্যাচে পেনাল্টি মিস করলেও একটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মেসি। একই সঙ্গে টানা নয়টি বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করার নজির গড়েন তিনি। টুর্নামেন্টে আট গোল নিয়ে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়েও নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক।

ম্যাচ শেষে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি মেসি; তাঁকে চোখের পানি ফেলতে দেখা যায়। অন্যদিকে বাতিল হওয়া গোলসহ কয়েকটি রেফারিং সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে মিশর শিবির। শেষদিকে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে তাদের কোচিং স্টাফের একজন সদস্য লাল কার্ডও দেখেন। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে উল্লাসে মেতে ওঠে আর্জেন্টিনা, আর হতাশায় মাঠ ছাড়ে মোহাম্মদ সালাহর মিশর।

সূএঃ বাসস

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.