সবার কথা বলে

নোয়াখালীর চাটখিলে ৩ সন্তান রেখে প র কীয়া প্রেমিকের সাথে পালিয়ে বিয়ে – অতঃপর

0 138

নোয়াখালীর চাটখিলে ৩ সন্তান রেখে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে পালিয়ে বিয়ে অতঃপর, ডিভোর্সি নারী সন্তানদের অপহরনের ঘটনার চেষ্ঠায় আদালতে মামলা, মামলা তুলে নেওয়ার জন্য ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী নারীর হুমকি!

মোঃ এনায়েত হোসেন
স্টাফ রিপোর্টার

নোয়াখালী চাটখিল উপজেলার ভীমপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার মেয়ে নার্গিস আক্তার মুক্তা (৩৫) তেরো বছর সংসার এর পর তিন সন্তান (দুইজন জমজ ও এক পুত্র) রেখে পরকিয়া প্রেমিক (বিবাহিত) মিজানুর রহমান মিঠুর হাত ধরে পালিয়ে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন। পরে এ ঘটনায় ব্যবসায়ী স্বামী মাহমুদুল হক ভূইয়ার সাথে তার ডিভোর্স হয়ে যায় এবং তার পাওনা বুঝে নেয়। ঘটনা এখানে শেষ নয়, পরে ডিবি পুলিশের দীর্ঘ অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে এক চাঞ্চলকর তথ্য। চাটখিলের ভীমপুরের সেই ডিভোর্সী নারী,তার মা ও দ্বিতীয় স্বামীর কু-পরামর্শে পুনরায় টাকার লোভে ৩ সন্তানকে চট্টগ্রাম স্কুল থেকে কৌশলে বোরকা পরা এক মহিলাকে দিয়ে অপহরনের চেষ্ঠা করে এবং ভাড়াটে কিশোর গ্যাং সদস্যদের মাধ্যমে। ঔই নারীর দাদী মারা গেছে মর্মে সন্তানদেরকে স্কুল থেকে আনার অপহরণ চেষ্টায় ব্যর্থহন। স্কুল কতৃপক্ষ বুঝতে পেরে তাদের অপহরণ মিশন ব্যার্থ হয়। বাদী ঘটনাটি ঐ নারীর দুই চাচা মোঃ খোকা ও মোঃ জসিম এর নিকট অভিযোগ করেন। কিন্তু কোনো ফলাফল না পেয়ে বাদী নিরুপায় হয়ে অবশেষে এই ঘটনায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মাহমুদুল হক ভ্ইূয়া বাদী হয়ে ডিভোর্সী নারী (সাবেক স্ত্রী) নার্গিস আক্তার মুক্তা (৩৫) সহ দুই জনের বিরুদ্ধে মামলা করে। যার নম্বর সিআর-২৬১/২৫। চট্টগ্রাম ডিবি পুলিশের দীর্ঘ অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে এ চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যায়, বাদীর সহিত বিগত ০৪/১২/২০০৯ইং তারিখে সামাজিক ভাবে বিয়ে হয় ঐ নারীর। বিয়ের পর থেকে ঐ নারী পরকীয়া সহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ে এবং কক্সবাজার সহ বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়ায় এবং সারাদিন মোবাইলে আসক্ত থাকে।  একপর্যায়ে বিগত ১৮/০৯/২০২২ইং তারিখে তাদের মধ্যে আপোষ তালাক কার্যকর হয় এবং আপোষ নামা শর্ত মতে পাওনা বুঝিয়া নেন ঐ নারী এবং সন্তানদের প্রতি তার কোনো দাবী থাকবে না। সন্তানরা চট্টগ্রামে পিতার কাছে থাকে এবং চট্টগ্রামের একটি স্কুলে লেখাপড়া করে। একপর্যায়ে আসামী ডিভোর্সী নারী ক্ষিপ্ত হয়ে তার দাদী মারা গেছে বলে বাচ্চাদের স্কুলে গিয়ে কৌশলে অন্য নারী দিয়ে সন্তানদেরকে অপহরনের চেষ্ঠায় ব্যার্থ হন। পরবর্তীতে সন্তানদেরকে অপহরনের হুমকি দিয়ে ফের মোটা অংকের চাঁদা দাবী করে বাদী তথা সাবেক স্বামীর নিকট এবং কিশোরগ্যাং সদস্যদের লেলিয়ে দেয় তার পিছনে।ঐ নারী দ্বিতীয় স্বামী পেয়ে সন্তানদের ভুলে যায়। বখাটেরা বিভিন্ন সময় স্কুল পড়ুয়া ছেলে মেয়ে দের কে নানান ভাবে পথে ঘাটে ইভটিজিং করার চেষ্ঠা করে। এমনকি বিভিন্ন সময় হামলা ও মারধর করার অভিযোগ রয়েছে। এই নিয়ে বাদী প্রতিবাদ করলে তাকে মারধর করে এবং দোকনে গিয়ে  হামলা করে এবং তার হাত ভেঙ্গে দেয় ঔই নারী ও তার সহযোগীরা। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা (সিএমপি) উত্তর বিভাগের এস আই মোঃ নোমানের তদন্ত রিপোর্ট পর্যালোচনা করে মূল রহস্য বেরিয়ে আসে এবং তদন্ত কর্মকর্তা বিজ্ঞ আদালতে রিপোর্ট দেন। বর্তমানে ঐ নারীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেছেন বিজ্ঞ আদালত এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চাটখিল থানায় প্রেরণ করেছে। এই বিষয়ে ভুক্তভোগী বাদী কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন বর্তমানে আমি ও আমার সন্তানেরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি । ঐ নারী,তার মা ও সহযোগীরা মব সৃষ্টি করার হুমকি দিচ্ছে আমাকে। আমি পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তা সহ সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.