সবার কথা বলে

শরিকদের সঙ্গে নতুন সমন্বয়ের বার্তা, ঐক্য ধরে রাখাই সরকারের লক্ষ্য

0 2

শরিকদের সঙ্গে নতুন সমন্বয়ের বার্তা, ঐক্য ধরে রাখাই সরকারের লক্ষ্য

ডেস্ক রিপোর্টঃ

সরকার গঠনের পাঁচ মাস পর রাজপথের আন্দোলনের সহযোগী দলগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ লক্ষ্যে ৪১টি শরিক দল ও জোটের শীর্ষ নেতাদের সম্মানে আয়োজিত এক নৈশভোজে তিনি সরকার পরিচালনায় সবাইকে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সোমবার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত ওই নৈশভোজে শরিক নেতারা দীর্ঘদিনের বিভিন্ন অভিযোগ, প্রত্যাশা ও মূল্যায়ন না পাওয়ার বিষয়গুলো খোলামেলাভাবে তুলে ধরেন। তাদের অনেকেই আন্দোলনে অবদানের যথাযথ স্বীকৃতি এবং সরকার ও আসন্ন নির্বাচনে সম্পৃক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সবাইকে মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং পর্যায়ক্রমে অবদান অনুযায়ী মূল্যায়নের আশ্বাস দেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ আয়োজনের মাধ্যমে শরিকদের সঙ্গে সরকারের দূরত্ব কমানোর একটি ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

তবে বৈঠকে কিছু নেতার অতিরিক্ত প্রত্যাশা ও অবাস্তব দাবির বিষয়টিও আলোচনায় আসে। উপস্থিত কয়েকজনের মতে, প্রকৃত অবদান রাখা মিত্রদের মূল্যায়নের পাশাপাশি অযৌক্তিক দাবি সামলে ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য অক্ষুণ্ন রাখা এখন সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে তারা আশ্বস্ত হয়েছেন। তিনি জানান, বৈঠকে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে এককভাবে না এগিয়ে আন্দোলনের সময়ের সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।

সাবেক বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদাও মনে করেন, এই নৈশভোজ শরিকদের সঙ্গে সরকারের দূরত্ব কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে এবং প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে সবাই আশাবাদী হয়েছেন।

ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য শক্তিশালী করা এবং জুলাই সনদ ও ৩১ দফা বাস্তবায়নই এখন সবার মূল লক্ষ্য। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী শরিকদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক ও সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

সূত্রঃ যুগান্তর 

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.