
আধুনিক দাসত্ব রোধে কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর আইন আনছে অস্ট্রেলিয়া
ডেস্ক রিপোর্টঃ
আধুনিক দাসত্ব ও জোরপূর্বক শ্রম প্রতিরোধে বড় প্রতিষ্ঠানের জন্য আরও কঠোর আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। নতুন আইনে নির্ধারিত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির বিরুদ্ধে ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অস্ট্রেলিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল মিশেল রোল্যান্ড জানিয়েছেন, বছরে ১০০ মিলিয়ন অস্ট্রেলীয় ডলারের বেশি আয় করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিদেশি সরবরাহ শৃঙ্খলে আধুনিক দাসত্ব, জোরপূর্বক শ্রম ও ঋণদাসত্ব প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
তার ভাষায়, ভোক্তারা এমন পণ্য প্রত্যাশা করেন, যা কোনো ধরনের আধুনিক দাসত্ব বা শোষণের মাধ্যমে উৎপাদিত হয়নি।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্য আমদানি ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগে অস্ট্রেলিয়াসহ ৬০টি দেশকে অতিরিক্ত শুল্কের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। তবে অস্ট্রেলিয়া এ সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক বলে প্রত্যাখ্যান করে জানায়, দেশটিতে ইতোমধ্যে আধুনিক দাসত্ববিরোধী কঠোর আইন কার্যকর রয়েছে।
সরকার জানায়, আট বছর আগে প্রণীত মডার্ন স্লেভারি অ্যাক্ট সংশোধনের মাধ্যমে কোম্পানিগুলোর ওপর আরও কঠোর আইনি বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হচ্ছে। নতুন বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রতিষ্ঠান যদি প্রমাণ করতে পারে যে তারা আধুনিক দাসত্ব প্রতিরোধে যুক্তিসংগত পদক্ষেপ নিয়েছে, তাহলে সেটি আইনি প্রতিরক্ষা হিসেবে বিবেচিত হবে।
এ ছাড়া, আইনের আওতায় নির্ধারিত দায়িত্ব পালন না করা কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে দেওয়ানি জরিমানার ব্যবস্থাও চালু করা হবে।
সূএঃ বাসস